দীর্ঘ প্রায় দেড় যুগ পর দেশের মাটিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান এবং কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।
এর আগে একই দিনে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে উড়োজাহাজটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি নেয়। লন্ডনের স্থানীয় সময় বুধবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে বিমানটি।
বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশের পর সকাল সাড়ে ৯টা ৩৪ মিনিটে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আবেগঘন অনুভূতি প্রকাশ করেন তারেক রহমান। তিনি লেখেন, “দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে।” মুহূর্তেই পোস্টটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।
এদিকে তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজধানীতে বিশাল সংবর্ধনার আয়োজন করেছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ (সাবেক ৩০০ ফিট) এলাকায় এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ভোর থেকেই সংবর্ধনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় মানুষের ঢল নামতে শুরু করে। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত লাখো মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা কার্যত জনসমুদ্রে রূপ নেয়।
বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “দেশবাসী আজ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তারেক রহমানকে একনজর দেখার এবং তার কণ্ঠে দুটি কথা শোনার জন্য মানুষ ব্যাকুল।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের ৫৫ বছরের রাজনৈতিক ইতিহাসে আজকের দিনটি একটি স্মরণীয় অধ্যায় হয়ে থাকবে।”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সরাসরি সংবর্ধনাস্থলে যাবেন তারেক রহমান। সেখানে তিনি সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাবেন। এরপর হাসপাতালে গিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার খোঁজ নেবেন এবং পরবর্তীতে গুলশানের নিজ বাসভবনে ফিরবেন।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে