79°F মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

ইরান সংকট সমাধানে ট্রাম্পকে প্রস্তাব পুতিনের

বস্টন বাংলা, Boston Bangla

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ২১
ইরান সংকট সমাধানে ট্রাম্পকে প্রস্তাব পুতিনের

ইরান পরিস্থিতি নিরসনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প–কে সমাধানের একটি প্রস্তাব দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট  ভ্লাদিমির পুতিন। এখন সেই প্রস্তাবের সমন্বয় প্রক্রিয়া কীভাবে এগোয়, সেদিকেই নজর রাখছে মস্কো। মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছেন ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ।

জানা গেছে, সোমবার টেলিফোনে কথা বলেন পুতিন ও ট্রাম্প। আলাপে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুর পাশাপাশি ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিও উঠে আসে।

ইরান সংকট নিয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে কী ধরনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পেসকভ বলেন, এ মুহূর্তে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে প্রকাশ করার সুযোগ নেই। তিনি জানান, প্রেসিডেন্ট পুতিন তাঁর মার্কিন প্রতিপক্ষের কাছে কিছু প্রস্তাব তুলে ধরেছেন। এখন সেই প্রস্তাব কতটা এগোয় বা অনুমোদনের প্রক্রিয়া কীভাবে এগোয়, তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে মস্কো।

পেসকভ আরও বলেন, ইরান প্রসঙ্গে দুই নেতার আলোচনা হলেও এর অর্থ এই নয় যে পুতিন ইতোমধ্যে সংকট সমাধানে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা গ্রহণ করেছেন। তবে পরিস্থিতি শান্ত করতে রাশিয়া প্রয়োজন হলে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তিনি বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে পুতিনের দেওয়া বেশ কয়েকটি প্রস্তাব এখনো আলোচনার টেবিলে রয়েছে। এগুলো বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে সমন্বয় ও বোঝাপড়ার প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এদিকে, দুই নেতার টেলিফোন আলাপে জ্বালানি তেলের ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞা নিয়ে কোনো বিস্তারিত আলোচনা হয়নি বলেও জানান ক্রেমলিনের মুখপাত্র।

ইউক্রেন প্রসঙ্গ

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পেসকভ বলেন, সংকট সমাধানে ত্রিপক্ষীয় আলোচনা চালিয়ে যেতে রাশিয়াসহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ আগ্রহী। তাঁর মতে, এই আলোচনার কাঠামো অবশ্যই ত্রিপক্ষীয় হওয়া উচিত এবং সবাই এতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র তাদের মধ্যস্থতার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে প্রস্তুত। প্রেসিডেন্ট পুতিন এই উদ্যোগকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন এবং রাশিয়া এ প্রচেষ্টাকে মূল্যায়ন করে।

তবে নতুন করে ত্রিপক্ষীয় আলোচনার জন্য এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ বা স্থান নির্ধারণ করা হয়নি। পাশাপাশি আলোচনার আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করতে হবে—ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে এমন কোনো শর্তও দেওয়া হয়নি বলে জানান পেসকভ।

তিনি বলেন, ইউক্রেনে দ্রুত যুদ্ধবিরতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে খুব বেশি মতভেদ নেই। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত Steve Witkoff নিয়মিতভাবে রাশিয়ার আলোচকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন, যা সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে পারস্পরিক বার্তা আদান–প্রদানে সহায়তা করছে।