66°F বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

জেনেভায় আলোচনার পর ইরান-রাশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া: হরমুজ প্রণালি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ জেনেভা / তেহরা

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ১৮ ফেব ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ৩৪
জেনেভায় আলোচনার পর ইরান-রাশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া: হরমুজ প্রণালি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ  জেনেভা / তেহরা

জেনেভায় আলোচনার পর ইরান-রাশিয়ার যৌথ সামরিক মহড়া: হরমুজ প্রণালি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ

জেনেভা / তেহরান, ১৮ ফেব্রুয়ারি – সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ইরান ও রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালানোর পর যুক্তরাষ্ট্রের। আলোচনা মূলত ইরান সংকট এবং রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধের সমাধান খুঁজে বের করার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে আলোচনার পরই ইরান ও রাশিয়া যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করতে যাচ্ছে। ইরানভিত্তিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মহড়া আগামী বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যের ওমান সাগরে শুরু হবে।

হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে

এর আগে, গত সোমবার ইরানের প্রভাবশালী বিপ্লবী গার্ড কোর হরমুজ প্রণালিতে সামরিক মহড়া চালায়। এটি ছিল মার্কিন সামরিক উপস্থিতির প্রতি একটি চ্যালেঞ্জ। বুধবার ইরানের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল হাসান মাকসৌদলু জানিয়েছেন, যৌথ মহড়া হবে ওমান সাগর ও ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে। মহড়ার সময় নিরাপত্তা স্বার্থে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে, যা বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ।

যৌথ মহড়ার লক্ষ্য

ইরান ও রাশিয়ার যৌথ মহড়ার মূল উদ্দেশ্য হলো সমুদ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুই দেশের নৌবাহিনীর মধ্যে সম্পর্ক জোরদার করা। তবে কত দিন ধরে মহড়া চলবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

জেনেভায় ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

মঙ্গলবার জেনেভায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ধাপের আলোচনার মধ্যস্থতা করেছিল ওমান। এর আগে, ওমানের রাজধানী মাসকাটে প্রথম ধাপের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আলোচনায় ইরানের পরমাণু ইস্যু নিয়ে ইতিমধ্যেই কিছু আলোচনা চলছে, যদিও গত বছরের জুনে ইরান–ইসরায়েল সংঘাতের কারণে তা স্থগিত হয়েছিল। সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায়।

আয়াতুল্লাহ খামেনির হুঁশিয়ারি

এদিকে, পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা মার্কিন রণতরিগুলো ‘সমুদ্রের তলদেশে ডুবিয়ে’ দেওয়া হতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মঙ্গলবার তেহরানে এক অনুষ্ঠানে খামেনি বলেন, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী এমন এক চপেটাঘাত খেতে পারে, যা থেকে তারা আর সেরে উঠতে পারবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীকে ‘বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী’ দাবি করার পরিপ্রেক্ষিতে খামেনির এই মন্তব্য আসে। গত মাসে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাওয়ার পর মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন এবং কয়েকটি ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজ পারস্য উপসাগরে মোতায়েন করা হয়।