61°F বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

নেত্রকোনা–৪ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী লুৎফুজ্জামান বাবর

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ১৩ ফেব ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ১
নেত্রকোনা–৪ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী লুৎফুজ্জামান বাবর

নেত্রকোনা–৪ আসনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী লুৎফুজ্জামান বাবর

নেত্রকোনা–৪ (মোহনগঞ্জ, মদন ও খালিয়াজুরি) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. লুৎফুজ্জামান বাবর বড় ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৬০ হাজার ৮০১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আল হেলাল দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৮৪০ ভোট। এতে বাবর ১ লাখ ২০ হাজার ৯৬১ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হন।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান ফলাফল নিশ্চিত করেন।

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, এ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৭৫ হাজার ৩০৮ জন। ১৫০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান দুই প্রার্থী ছাড়াও অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির কাস্তে প্রতীকের জলি তালুকদার পেয়েছেন ৩ হাজার ৩৫৯ ভোট, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির কোদাল প্রতীকের চম্পা রানী সরকার পেয়েছেন ২৮২ ভোট এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের মো. মুখলেছুর রহমান পেয়েছেন ২ হাজার ২৫ ভোট।

বিজয়ের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “এটি জনগণের বিজয়। এলাকার উন্নয়ন ও অবকাঠামোগত অগ্রগতি নিশ্চিত করতে এবং মানুষের প্রত্যাশা পূরণে আমি কাজ করে যাব। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

ভোটের দিন সকালে তিনি মদন উপজেলার কোর্ট ভবন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেন। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানরাও সেখানে ভোট দেন। ভোট প্রদান শেষে তিনি বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর ভোট দিতে পেরে আমি কৃতজ্ঞ। এটি আমার জন্য বিশেষ মুহূর্ত।”

মদন উপজেলার বাড়িবাদেরা গ্রামে তাঁর বাড়ি। তিনি এর আগে এ আসন থেকে তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন।

স্থানীয়দের মধ্যে অনেকেই তাঁর বিজয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। মদন উপজেলার বাগজান গ্রামের বাসিন্দা ফয়েজ আহমেদ বলেন, দলমত নির্বিশেষে বাবর এলাকায় জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। অন্যদিকে খালিয়াজুরি উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবদুর রব স্বাধীন বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও বিভিন্ন দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে জনগণ আবারও তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন।

ফলাফল ঘোষণার পর এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।