নির্বাচন ঘিরে সহিংসতার আশঙ্কা: জনসমাগম ও ভ্রমণে সতর্ক থাকার নির্দেশনা
আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সম্ভাব্য রাজনৈতিক সহিংসতা ও চরমপন্থী হামলার ঝুঁকি নিয়ে একটি সতর্কতামূলক নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে নির্বাচনী প্রচারণা সভা, ভোটকেন্দ্র এবং মসজিদ, মন্দির ও গির্জাসহ ধর্মীয় স্থাপনাগুলো সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়, শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে আয়োজিত যেকোনো সভা-সমাবেশ হঠাৎ করে উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে রূপ নিতে পারে। তাই নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বড় ধরনের জনসমাগম এড়িয়ে চলার পাশাপাশি চলাফেরার সময় আশপাশের পরিস্থিতির প্রতি সর্বোচ্চ সতর্ক দৃষ্টি রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে মোটরসাইকেল চলাচল নিষিদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের যানবাহন চলাচলের ওপর বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে। এর ফলে ওই সময়ে সড়ক পথে চলাচলে ভোগান্তি ও যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলায় সাধারণ জনগণকে ব্যক্তিগত সচেতনতা বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে নিয়মিত স্থানীয় সংবাদ ও পরিস্থিতির আপডেট পর্যবেক্ষণ, জরুরি যোগাযোগের জন্য মোবাইল ফোন সচল রাখা এবং প্রয়োজনে বিকল্প যাতায়াত পরিকল্পনা প্রস্তুত রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া চলাফেরার আগে নিজস্ব নিরাপত্তা পরিকল্পনা পর্যালোচনা করে পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সচেতনতা ও সতর্কতাই সম্ভাব্য ঝুঁকি এড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়।
আপনার বিজ্ঞাপন এখানে