82°F শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

বস্টন বাংলা অনলাইন ডেস্ক, Boston Bangla

প্রকাশ: ১৪ ফেব ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ১১৭
নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নির্বাচন-পরবর্তী সহিংসতার অভিযোগে নিন্দা জানালেন জামায়াত আমির, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি

নির্বাচনের পর দেশের বিভিন্ন এলাকায় নিরীহ নাগরিক ও ভোটারদের ওপর হামলা ও সহিংসতার অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন শফিকুর রহমান। তিনি দাবি করেন, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে অবস্থান নেওয়ার কারণে জামায়াত, ১১–দলীয় জোটের সমর্থক, স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং বিএনপির বাইরে থাকা বিভিন্ন রাজনৈতিক মতের ব্যক্তিরা হামলার শিকার হয়েছেন।

শনিবার (দুপুর প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিটে) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের পর জনগণের ওপর ভয়ভীতি ও প্রতিহিংসামূলক আচরণের কোনো স্থান নেই। সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনের পর এমন পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

জামায়াত আমির বলেন, দেশের মানুষ অন্যায়ের বিরুদ্ধে অতীতে যেমন সোচ্চার হয়েছে, ভবিষ্যতেও তেমনি হবে। ভয় ও সহিংসতার রাজনীতি পুনরায় প্রতিষ্ঠার কোনো সুযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দ্রুত ও দৃশ্যমান আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। প্রতিটি অভিযোগ যথাযথভাবে নথিভুক্ত ও রেকর্ড করার আহ্বান জানান তিনি, যাতে কোনো নাগরিক বিকল্প উপায়ে নিরাপত্তা খুঁজতে বাধ্য না হন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়াতে নির্বাচিত সংসদ সদস্য, প্রার্থী ও স্থানীয় নেতাদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে পোস্টে। ছবি ও ভিডিওসহ সব ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে জমা দেওয়া এবং প্রয়োজন হলে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়গুলো গণমাধ্যমে তুলে ধরার কথাও উল্লেখ করা হয়।

আসন্ন সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট কোনো অবাধ ক্ষমতার অনুমতি নয়; বরং এটি একটি শর্তযুক্ত দায়িত্ব। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সবার জন্য সমান সুরক্ষা এবং রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের প্রধান দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন তিনি। নিজের দল ও কর্মীদের শৃঙ্খলার মাধ্যমে সুশাসনের সূচনা করার আহ্বানও জানান।

সবশেষে তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, দেশে আর কখনো ভয়, দমন-পীড়ন বা সন্ত্রাসের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হতে দেওয়া হবে না।