79°F মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
মেনু

শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় শিক্ষার্থী নিপীড়ন

বস্টন বাংলা, Boston Bangla

প্রকাশ: ১০ মার্চ ২০২৬ | নিউজটি দেখেছেন: ২
শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় শিক্ষার্থী নিপীড়ন

শাহবাগে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনায় শিক্ষার্থী নিপীড়ন: ১৪৫ নাগরিক তাসনিম আফরোজ ও আল মামুনের নিঃশর্ত মুক্তি ও সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংস্কারের দাবি

ঢাকা থেকে প্রতিবেদক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন্নাহার হল সংসদের সাবেক ভিপি শেখ তাসনিম আফরোজ (ইমি) এবং শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মামুনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের সংস্কার চেয়েছেন ১৪৫ জন বিশিষ্ট নাগরিক। মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ৭ মার্চ রাতে শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর কারণে শেখ তাসনিম আফরোজকে একদল ‘মব সন্ত্রাসী’ মারধরের পর পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়। পরদিন পুলিশ তাঁকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখায়। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে। একই সঙ্গে ৮ মার্চ দিবাগত রাত তিনটায় দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী রাহিদ খান পাভেলকেও একই মব সন্ত্রাসীরা মারাত্মক আহত করে।

বিবৃতিতে প্রশ্ন তোলা হয়, ৭ মার্চের ভাষণ প্রচার করা কীভাবে সন্ত্রাসী কার্যক্রম হিসেবে গণ্য হবে। তারা বলেন, সন্ত্রাস দমন আইন ২০০৯–এ সন্ত্রাসী কার্যক্রম, সন্ত্রাসে অর্থায়ন এবং সন্ত্রাসী সংগঠনের কার্যকলাপ প্রতিরোধের কথা বলা হয়েছে। ২০১২ ও ২০১৩ সালের সংশোধনীতে সাইবার মাধ্যমে সন্ত্রাসী কার্যক্রমও সংযুক্ত করা হয়। বিবৃতিতে প্রশ্ন করা হয়, সরকার বা পুলিশ কি ঠিক করে দেবে কোন কার্যক্রম সন্ত্রাসী?

বিবৃতিতে তাসনিম আফরোজের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ড তুলে ধরা হয়েছে। তিনি ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পরিচিত মুখ, শিক্ষার্থীদের ও নারীদের অধিকার রক্ষাসহ বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। জুলাই গণ–অভ্যুত্থানেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়ার পাশাপাশি ১৪৫ বিশিষ্ট নাগরিক প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন, হাসিনার আমলের সন্ত্রাস দমন আইন জবাবদিহিমূলক ও সংস্কার করা, মবের নামে যেসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং এসব ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচার নিশ্চিত করতে।

বিবৃতিতে অংশগ্রহণকারী ব্যক্তিদের মধ্যে আছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, খালিকুজ্জামান ইলিয়াস, আজফার হোসেন, কামরুল হাসান মামুন, মোশাহিদা সুলতানা, ফিরোজ আহমেদ, সাহেদ আলম, বাকী বিল্লাহ, অরূপ রাহী, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ, মনিরুল ইসলাম, রায়হান রাইন, জিএইচ হাবীব, আফসানা বেগম, আরিফুজ্জামান তুহিন, খালেদ হোসাইন, নূরুল আলম আতিক, এ টি এম গোলাম কিবরিয়া, আরিফ রহমান, রিয়াজ খান, নাহিদ হাসান, ধ্রুব সাদিক প্রমুখ।